মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টিনসেড বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। নিহত লাকির বাড়ি ভোলার সদর উপজেলার রতনপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. হারুন।
শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বিকেলে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘরের মেঝেতে গলা কাটা অবস্থায় ফেলে রাখা ছিল। তবে এ সময় ঘরে কাউকে পাওয়া যায়নি।’
এসআই আরও বলেন, ‘নিহতের স্বামী সজিবকে নিয়ে ওই বাসায় দেড়মাস যাবত ভাড়া থাকতেন লাকি। প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানা যায়, সোমবার রাতে তাদের ঘরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রচুর ঝগড়ার আওয়াজ পান তারা। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি ওই বাসায়। ঘরে দরজাও বাইরে থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। এক পর্যায়ে প্রতিবেশীরা দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিলে দেখতে পান, লাকি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। পরে তারা থানায় খবর দেন।’
পুলিশের ধারণা, সোমবার রাতের কোনো এক সময় সজিব তার স্ত্রী লাকিকে গলা কেটে হত্যা করে ঘরেই মরদেহ রেখে পালিয়ে যান।
নিহতের স্বামী সজিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে জানিয়ে এসআই শাহাদাত হোসেন জানান, স্বজনরা থানায় মামলা করেছেন। সজিবকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।