1. info@www.awazsylhet.com : - :
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বড়লেখায় বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে পাকা ধান, শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষক জগন্নাথপুরে কৃষকদের ধান শুকাতে সরকারি স্থাপনা ব্যবহারে ইউএনও,র অনুমতি ঠাকুরগাঁওয়ে দরিদ্র ২০০ পরিবার পেল নগদ সহায়তা, শর্তে জোর সামাজিক উন্নয়নে জগন্নাথপুরে বজ্রবৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় কৃষকের মাতায় হাত অশ্রুসিক্ত কৃষাণী জগন্নাথপুরে কালবৈশাখী ঝড় বজ্রবৃষ্টিতে ধান কাটা মাড়াই শুকানো ব্যাহত, বন্যা আশন্কায় কৃষক জগন্নাথপুর পৌরবাসীর সেবক হতে চান আব্দুল মতিন লাকি বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বড়লেখা পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মাঠে সাংবাদিক সুহেবের পিতারমৃত্যুতে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের শোক

বৃষ্টির ছোঁয়ায় চা বাগানে ফিরেছে চিরচেনা রূপ

আওয়াজ সিলেট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

 

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা প্রতিনিধি:-

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টানা খরার পর স্বস্তির বৃষ্টিতে চা বাগানগুলো ফিরেছে চিরচেনা রূপে। খরায় বিবর্ণ হওয়া চা গাছে দেখা মিলবে নতুন কুঁড়ির। টানা তাপপ্রবাহের পর গত এক দুই দিনের বৃষ্টিতে নতুন কুঁড়ি ও সবুজ পাতা গজার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রচন্ড তাপে বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল বাগানের অধিকাংশ চা গাছ। অনেক স্থানে শুরু হয়েছিল লাল রোগের প্রাদুর্ভাব। চা উৎপাদন শুরুর মৌসুমেই বড়লেখা উপজেলার চা বাগানগুলোতে কমে যায় চা উৎপাদনের গতি। তবে গত কয়েক দিনের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে। চা বাগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বৃহস্পতিবারের তীব্র বৃষ্টিতে বাগান রক্ষায় কৃত্রিম পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

প্রকৃতিনির্ভর একটি কৃষিজ পণ্য চা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চায়ের উৎপাদনও ভালো হয়, এর জন্য প্রয়োজন পরিমিত বৃষ্টি ও সূর্যের কিরণ। প্রায় চার মাস আগ থেকেই চা বাগানের সেকশনগুলোয় চা গাছ ছাঁটাই করার কাজ শুরু করেছিল বাগান কর্তৃপক্ষ। ছাঁটাইয়ের কারণে চা বাগানে চলে এসেছিল রুক্ষ শুষ্কভাব। চা বাগানের জন্য সহনীয় তাপমাত্রার সীমা পেরিয়ে গেলে বিপত্তিতে পড়েন বাগান-সংশ্লিষ্টরা।

বৃষ্টির অভাবে রুক্ষ বাগানে নতুন পাতার দেখা মিলেনি খুব একটা। এর মাঝে বিভিন্ন পোকামাকড়ের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সামান্য যা কুঁড়ি-পাতা ছিল তাও আক্রান্ত হতে শুরু করে। অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা অনেকটাই খুশি।বৃষ্টিতে বাগানগুলো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। কাঙ্খিত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ভালো ফলনের সম্ভাবনার পাশাপাশি আপাতত বাগান গুলোতে কৃত্রিম পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে অনাবৃষ্টির কারনে ও তীব্র খরায় মৌসুমের শুরুতেই অনেক ক্ষতি হয়ে গেল, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইন্টেল ওয়েব