1. info@www.awazsylhet.com : - :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আমিনুর রহমান জিলু, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের ফুলেল শুভেচছা বড়লেখায় প্রভাষক বদরুল ইসলাম মনুর ফল বাগানটি যেন এক টুকরো সবুজ উদ্যান ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা উপকরণ, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের নতুন দৃষ্টান্ত সাংবাদিক পরিচয়ে ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ ওসমানীনগরে বুরুঙ্গা ইউনিয়ন ফাউন্ডেশন ইউকে’র ৯ লক্ষ টাকার মানবিক উদ্যোগ ঠাকুরগাঁওয়ে আত্মহত্যা ও অপমৃত্যু রোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত থামছে না সড়ক দুর্ঘটনা নান্দনিক ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় খুব শীঘ্রই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে “জামান স্পোর্টস এরিনা আউটডোর সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি বড়লেখা থানার মনিরুজ্জামান খান জগন্নাথপুরে কলকলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বড়লেখায় প্রভাষক বদরুল ইসলাম মনুর ফল বাগানটি যেন এক টুকরো সবুজ উদ্যান

আওয়াজ সিলেট
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

 

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা প্রতিনিধিঃ-

গ্রামের বাঁশঝাড়, পাখি, চারপাশের সবুজ খেত মুগ্ধ করত এই প্রভাষককে। কৃষকদের দেখে কতবার যে ভেবেছেন, ‘ইশ্‌ যদি কৃষক হতাম!’ শৈশব থেকেই গ্রামীণ কৃষির প্রতি প্রবল আগ্রহ প্রভাষক বদরুল ইসলাম মনুর। সেই ইচ্ছা থেকেই মনু বড়লেখার পৌরসভার মাইজপাড়ায় নিজ বাড়ির আঙিনার পাশে গড়ে তোলেন ফুল, ফল আর সবজির বাগান। সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করা তাঁর দিনের প্রধান কাজগুলোর একটি।

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ছোট ছেলের সঙ্গে কথা বলতে বলতে হেঁটে হেঁটে মনু ছেলেকে বাগান,পাখি আর নিজ হাতে ফলানো সবজিগুলো দেখান। যখন করোনার কারণে বাইরে বের হওয়ার উপায় ছিল না।তখন এ প্রভাষকের বড় সঙ্গী ছিল এই বাগান।এই প্রতিনিধির সাথে কথা বলার সময়ও মনু তাঁর বাগানের পরিচর্যা করছিলেন। তিনি বলেন, ‘শৈশব থেকেই কৃষির প্রতি আমার অসম্ভব টান। কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলেই বাসায় ফুলের বাগান করতাম, সবজি চাষ করতাম। সেগুলোই এখন নেশায় দাঁড়িয়েছে। আমার বাগান থেকেই এখন প্রায় দিনই শাকসবজি, ফল খাওয়া হয়। এতে করে একদিকে যেমনিভাবে বিষমুক্ত ফল-ফসলাদি ও শাক সবজির চাহিদা মিটছে, তেমনিভাবে একজন উদ্যোক্তার সৃজনশীলতারও বিকাশ ঘটছে। এমনি একজন বাগান প্রেমী প্রভাষক বদরুল ইসলাম মনু।মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা পৌরসভার মাইজপাড়া এলাকায় বদরুল ইসলাম মনুর ফল বাগানটি যেন এক টুকরো সবুজ উদ্যান।

জুড়ি টি এন খানম সরকারি ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক ব্যবসায়ী বড়লেখা পৌরসভার মাইজপাড়া গ্রামে তার বাড়ির পাশে শুরু করেছিলেন ফুল, ফল ও সবজি চাষের মধ্য দিয়ে বাগান।বাগানটি দেখে যে কারোর’ই মনে হবে এ যেন বাগান নয়, যেন এক টুকরো নির্মল উদ্যান। গ্রামীণ ঐতিহ্য কৃষির ভালোবাসা এবং সবুজের ছোঁয়ায় জীবনের প্রশান্তি খুঁজতেই তিন বছর আগে ফল বাগান গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন বদরুল ইসলাম মনু। বাড়ীর পাশে প্রায় ১৩ শতক জায়গা নিয়ে সৃষ্টি করেছেন ফুল, ফলমূল, শাকসবজির অনন্য এক ক্ষেত্র। শাক সবজি, ফল-ফুল ও ওষুধি গাছের চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে মনুর ফল বাগানের এ আয়োজন পেশাগত কাজের পাশাপাশি প্রকৃতি ও গাছের প্রতি অন্যরকম এক ভালোলাগা ও ভালোবাসা থেকে নিজ বাড়ীতে গড়ে তুলেছেন ফলবাগান। ২০২০ সালের শুরুর দিকে নিজ উদ্যোগে বাজার থেকে কিছু গাছের চারা কিনে বাগানে লাগান। এরপর বিভিন্ন সময় সবজি, ফল, ফুল ও ওষুধি গাছের চারা কিনে বাগানে ছোট আকারে দেয়াল করে মাটি ভরাট করে এবং টবে ও ড্রামে গাছগুলো লাগিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তার এই বাগানে প্রায় ৫০টিরও বেশি ফুল,ফল,শাক-সবজি, ওষুধি গাছ রয়েছে। গাছে ১০-১৫টি জাম্বুরা ঝুলে আছে। বিদেশি ড্রাগন ফল ঝুলে আছে।আঙ্গুর ঝুলে আছে, আরও ঝুলে আছে বিভিন্ন জাতের পেয়ারা,আম, আতাফল, লেবু, বাউকুল, জামরুল। ফল গাছের মধ্যে আরও রয়েছে ত্বীন,কলা, মাল্টা, কমলা, আঙ্গুর, কামরাঙ্গা, আমড়া, পেঁপে, পেয়ারা, লেবু, মরিচ, লাউ আমগাছ,থাই তেঁতুল, জামগাছ, মাল্টা, ডালিম, ড্রাগন, পেঁপে, নারিকেল, জয়ফল, বরই। এছাড়া ফুলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। শাক-সবজির মধ্যে কাঁচামরিচ, বেগুন, টমেটো, পুঁইশাক, চিচিঙ্গা, ধুন্দল, করলা, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা দেখা গেল। ওষুধি গাছের মধ্যে রয়েছে নিমগাছ, তুলসী গাছ, ঘৃতকুমারী। এছাড়া মেহেদী গাছ, পাথরকুচিসহ আরও ছোট ছোট অনেক উদ্ভিদও রয়েছে।এছাড়াও বাগানের মৌমাছির ভোঁ-ভোঁ শব্দে চোখে পড়ে মধু চাষ যা অনেক সুস্বাদু তার একপাশে পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করতে দেখা গেছে। পরিবারের ছোট ছেলেকে সাথে নিয়ে তিনি নিজে পরিচর্চা করেন এই বাগানটি।

বদরুল ইসলাম মনু বলেন,গত তিন বছর বাড়ীর পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে পরিচর্চা করছেন। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বন্ধু বান্ধব ও প্রতিবেশীদের দিয়ে থাকেন। আমাদের অনেকেই এখন বাগান করার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যেখানে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। এটি মন ভালো রাখার মতো একটি একটিভিটিজ।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকতার পেশায় কর্মরত থেকেও সকাল-বিকেল বাগানে নিজেকে শপে দিতাম তাছাড়া ব্যবসা, বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্বে নিয়োজিত থেকেও আমার লক্ষ্য থেকে আমি পিছপা হয়নি। প্রথমে পরিবারের উৎসাহ না পেলেও পরবর্তীতে পেয়েছি তাছাড়া আমার স্ত্রী, সন্তানদের সহযোগিতা ছিলো বলে আমার শখের বাগান আজ পূর্ণতা পেয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইন্টেল ওয়েব