বড়লেখায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও হুমকির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে আব্দুস সালামের বিচার দাবি

হানিফ পারভেজ
বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে হয়রানি, বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহারে চাপ এবং হুমকি-ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছেন মো. আব্দুস সালাম (সদই)। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার, হয়রানি বন্ধ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বড়লেখা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন তিনি। আব্দুস সালাম উপজেলার ৫নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ঘোলসা গ্রামের বাসিন্দা।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুস সালাম বলেন, তিনি একজন শান্তিপ্রিয় ও আইন মান্যকারী নাগরিক। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে একই গ্রামের বাসিন্দা সোনাহর আলীসহ প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিরোধের পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান হয়নি। একপর্যায়ে তিনি আইনগত আশ্রয় নেন। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আব্দুস সালামের অভিযোগ, বিচারাধীন বিষয়কে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিপক্ষের লোকজন তার বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া এবং রাস্তা কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাকে বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে ও পরোক্ষভাবে হুমকি-ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহারের জন্যও তার ওপর নানা ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এসব কারণে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন।
আব্দুস সালাম বলেন, তিনি কোনো অন্যায় বা বেআইনি সুবিধা চান না; তিনি চান ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি হয়রানি বন্ধ, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।