1. info@www.awazsylhet.com : - :
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ঠাকুরগাঁওয়ে আত্মহত্যা ও অপমৃত্যু রোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত থামছে না সড়ক দুর্ঘটনা নান্দনিক ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় খুব শীঘ্রই উদ্বোধন হতে যাচ্ছে “জামান স্পোর্টস এরিনা আউটডোর সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি বড়লেখা থানার মনিরুজ্জামান খান জগন্নাথপুরে কলকলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের বাঁশের তৈরি ধানের ডোল রাজশাহীর বাগমারায় ভুয়া কবিরাজ গ্রেপ্তার রাজশাহী মহানগরীর পরিবহণ মালিক সমিতির সাথে মতবিনিময় সভা রাজশাহীর আম যাচ্ছে ফ্রান্সে ইয়াবা, মোটরসাইকেল ও নগদ টাকাসহ ৫ জন আটক; রাণীশংকৈল-পীরগঞ্জে পুলিশের অভিযান

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের বাঁশের তৈরি ধানের ডোল

আওয়াজ সিলেট
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

 

হানিফ পারভেজ
বড়লেখা প্রতিনিধি

ধান, চাল, গম সংরক্ষণের বড় পাত্র বাঁশের তৈরি গোলা। এটি ডোল কিংবা মাচা নামে পরিচিত। (জুংগি বা উগার) বাঁশ দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। গ্রামের গৃহস্থ কৃষক পরিবার এ ডুলিতে ধান সংরক্ষণ করে। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না ডোল বা মাচা যা স্থানীয়রা ধানের জুংগি,উগাড় বলে জানে।

গ্রাম-বাংলায় ধান মাড়াইয়ের পর পুরো বছরের জন্য সংরক্ষিত রাখার যে ‘ডোল বা ‘মাচা’ আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে। যুগের হাওয়া পাল্টেছে, পাল্টেছে সারা বছরের জন্য ধান রাখার ধরন। দু’চার জন বড় গৃহস্থ ছাড়া ছোটো-খাটো কৃষক এখন আর সেভাবে ধান মজুদ রাখতে পারেন না। খাওয়া আর সাংসারিক খরচ মিটিয়ে যে সামান্য ধান থাকে তা কেউ বস্তায় কেউবা অন্য বাসন কোসনেই রেখে দেন।

ফলে এক সময়কার কৃষকদের অতিপ্রয়োজনীয় ধানের ডোল বা মাচা এখন চোখেই পড়ে না। অথচ এক সময় গোলা ভর্তি ধান না থাকলে গ্রামের গৃহস্থ পরিবার সেই বাড়িতে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে পর্যন্ত দিতে আগ্রহী হতেন না। এ কথা এখনো গ্রামাঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে। যাতে ধান নষ্ট না হয় সে কারণে গোলায় ধান রেখে মুখ মাটি দিয়ে লেপে বন্ধ করে রাখা হয়। আবার টাকার প্রয়োজন হলে গোলা থেকে ধান বের করে বাজার বা পাইকারের কাছে বিক্রি করা হয়। সে সময় সমাজ ব্যবস্থা এখনকার মতো এত উন্নত ছিল না।

বাঁশের তৈরি গোলার ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। কারণ বাঁশ ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম এলাকায় বেশিরভাগ স্থাপনা পাকা ও টিনের গড়ে উঠায় বাঁশের চাহিদাও কমছে। এ কারণে বাঁশের আবাদও কমে যাচ্ছে। উত্পাদন কমে যাওয়ায় এবং বাঁশের মূল্যবৃদ্ধির কারণে গোলা তৈরিতেও খরচ বেড়ে গেছে।

পাহাড়ে যে পরিমাণ বাঁশ বাগান ছিল বড় বড় গাছ নিধনে বাঁশ বাগানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে বাঁশ বাগানগুলোতে নতুন বাঁশ সৃষ্টি হওয়ায় গত ২/৩ বছর ধরে কিছু কিছু ডোল কারিগর আবার নতুনভাবে ডোল বুনন কাজ শুরু করেছেন বলে জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইন্টেল ওয়েব