1. info@www.awazsylhet.com : - :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বড়লেখার পরীকুন্ড ঝর্ণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল,বাড়ছে ভিড় জগন্নাথপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উদযাপন বাবার জানাজায় উপস্থিত হতে সাত ঘণ্টার প্যারোল, আবেগঘন পরিবেশে শেষ বিদায় সাবেক এমপি দবিরুল ইসলামের বর্জ্য অপসারণ তদারকি করলেন রাসিক প্রশাসক রিটন বাগমারা’য় মবের কবলে মাছ ব্যবসায়ী ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে তদবির-স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল জগন্নাথপুরে ডাক্তার সুমাইয়া লিমা আলীকে সংবর্ধনা বাবা-মা ছাড়া ঈদ,চারিদিকে অপার শূণ্যতা আর হাহাকার! না ফেরার দেশে সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম উত্তরবঙ্গের রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাজ্জাদ আলী শিপলু ঈদ শুভেচ্ছা।

মালয়েশিয়ার সংসদে স্পিকার নির্বাচিত বাংলাদেশের জগন্নাথপুর উপজেলার আবুল হোসেন

আওয়াজ সিলেট
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ মুকিম উদ্দিন আওয়াজ সিলেট প্রতিনিধি:-

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সন্তান সৈয়দ আবুল হোসেন দাতু মালয়েশিয়া পার্লামেন্টের স্পীকার নির্বাচিত হওয়ার খবর শুনে জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামর আত্বীয় স্বজন ও লন্ডনে থাকা স্বজনদের মধ্যে আনন্দ উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের বাসিন্দা সৈয়দ আবুল ফজল ১৯৫৫ সালে সৈয়দপুর থেকে মালয়েশিয়ায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন। এবং মালয়েশিয়ান নাগরিকত্ব লাভ করে মালয়েশিয়ান তরুণীকে বিয়ে করেন। তাদের গর্ভে সৈয়দ আবুল হোসেনের জন্ম। মা মালয়েশিয়ান এবং পিতা বাঙালি হলেও সৈয়দ আবুল হোসেন তাঁর পিতৃপরিচয় এবং পূর্বপুরুষদের নিয়ে গর্ববোধ করেন। যদিও ভাল বাংলা বলতে পারেন না, তারপরও তিনি নিকটাত্মীয় এবং পিতার জন্মভূমিকে ভালোবাসেন। ইংরেজীতে এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, আমার পূর্বপুরুষ বাঙালি হওয়াতে আমি গর্বিত আমি নিজকে একজন বাঙালি মনে করি। হাফিজ মাওলানা সৈয়দ আবুল ফজলের সাত পুত্র ও পাঁচ কন্যার মধ্যে সৈয়দ আবুল হোসেন দ্বিতীয়।

তাঁর বড় ভাই সৈয়দ আবুল হাসান মালয়েশিয়া সরকারের বৃত্তি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ১৯৮৬ সালে ডাক্তারী পাশ করেছেন। তিনি ২০০০ সালে ইন্তেকাল করেন।
সৈয়দ ছাবির আহমদ বলেন, কয়েক বছর অন্তর অন্তর বাংলাদেশে যাতায়াত করতেন তার চাচা, সাথে সন্তানদেরও নিয়ে যেতেন।
১৯৬০ সালের ২৯ জুলাই মালয়েশিয়ার তাইপিং পেরেক এলাকায় জন্ম নেয়া সৈয়দ আবুল হোসেন মালয়েশিয়ান বিএন পার্টি থেকে নির্বাচিত এমপি। এর আগে তিনি মিনিষ্ট্রি অব হাউজিং এন্ড লোকাল গভর্নমেন্ট এর চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মালয়েশিয়ান কমিউনিটিতে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি সরকার কর্তৃক দাতু খেতাবে ভূষিত হন। মালয়েশিয়ান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রিধারী সৈয়দ আব্দুল হোসেন বিভিন্ন সময় মালয়েশিয়া সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

সৈয়দ আবুল হোসেন সর্বশেষ ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ভ্রমণ করে গেছেন। এর আগেও তিনি কয়েকবার বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি চান তার সন্তানেরাও যেন বাংলাদশের সাথে সম্পর্ক রাখে- সে লক্ষে তিনি তাঁর মেয়েকে তাঁর চাচাতো ভাইয়ের ছেলের সাথে বিবাহ দিয়েছেন। তার মেয়ে এবং মেয়ের জামাই ইংল্যান্ডের লিডস শহরে বসবাস করেন।তাঁর চাচাতো ভাই সৈয়দ ছাবির আহমদ জানান, সৈয়দ আবুল হোসেন বাংলাদেশে বসবাসরত আত্মীয় স্বজনদের প্রতি খেয়াল রাখেন। সব সময় আত্মীয়দের বিভিন্ন সহায়তা করেন। কয়েক বছর পর পর লন্ডন ভ্রমণ করেন। লন্ডনে আসলে আত্মীয়দের সাথে মিলিত হন।
সৈয়দ আবুল হোসেনের ভাগিনা যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক সৈয়দ জহুরুল হক বলেন, সৈয়দ আবুল হোসেন লন্ডনে আসলে সকল আত্মীয় স্বজন এবং এলাকাবাসীর সাথে দেখা সাক্ষাৎ করেন। তিনি বলেন, এই খবরে আমি দারুণ আনন্দিত। সৈয়দ আবুল হোসেন ষোল সন্তানের জনক। তিনি তিনটি বিয়ে করেছেন।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ান নাগরিক । সৈয়দ আবুল হোসেন স্পীকার নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ এবং লন্ডনে এলাকাবাসী ও তাঁর আত্মীয় স্বজনদের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা।

উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ এমদাদ বলেন, সৈয়দ আবুল হোসেন মালেশিয়ার পার্লামেন্টের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় সৈয়দপুরের বাসিন্দা হিসেবে আমরা গর্বিত ও আনন্দিত।

ইংল্যান্ডের ডার্লিংটন শহরে বসবাসতরত সৈয়দ আবুল হোসেনের চাচাতো ভাই কমিউনিটি নেতা ঈমাম সৈয়দ ছাবির আহমদ বলেন, সৈয়দ আবুল হোসেন স্পীকার নির্বাচিত হওয়ায় আমরা গর্বিত। এ গৌরব আমাদের একার নয়, সমগ্র বাংলাদেশ এবং বাঙালির।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইন্টেল ওয়েব