Skip to content
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট
আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • আইন-আদালত
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • বিজ্ঞপ্তি
  • যোগাযোগ
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • আইন-আদালত
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • বিজ্ঞপ্তি
  • যোগাযোগ
Subscribe
Close

Search

প্রবন্ধসিলেট

তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি সিলেট এমসি কলেজ: শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতন শিবিরের

By আওয়াজ সিলেট
21/02/2025 2 Min Read
0

কুয়েটের ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শিবির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর নাম মিজানুর রহমান রিয়াদ। তিনি কলেজের ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। শিবিরের নির্যাতনে আহত রিয়াদ এখন সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি আনজুমানে আল ইসলাহ নামের একটি দলের ছাত্র সংগঠন তালামীযে ইসলামীর কর্মী।

সংগঠনটির নেতাদের দাবি-ছাত্রাবাসে সিট দখলে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রশিবির। তবে, ছাত্রশিবির এমসি কলেজ শাখার সভাপতি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনা তদন্তে কলেজের পক্ষ থেকে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ঘটনা জানতে চাইলে হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে রিয়াদ বলেন, বুধবার রাতে খাবার শেষে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় দরজায় প্রচণ্ড আঘাতের শব্দ পান তিনি। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কলেজ ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জওহর লুকমান মুন্নার নেতৃত্বে ১০-১২ জন কর্মী রুমে ঢুকে লাথি দিয়ে তাকে মেঝেতে ফেলে দেয়। এরপর ফেসবুকে কুয়েটের ঘটনায় তুই শিবিরকে নিয়ে কী লিখেছিস বলেই তাকে চড়-থাপ্পড়, লাথি-ঘুসি মারতে থাকে তারা। একপর্যায়ে পাশের রুম থেকে রড এনে নাজমুল ও সালমান নামের দুই কর্মী তাকে পেটায়। রুমমেট জুনেদ এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। দরজা লাগিয়ে কয়েক ঘণ্টা রড দিয়ে বেধড়ক নির্যাতন চলে তার ওপর।

রিয়াদ অভিযোগ করে বলেন, তুই পরে যে অপবাদ দিবি, আগেই সেটি করে নিই-এই বলে শিবিরকর্মী আদনান ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পায়ের রগ কাটার চেষ্টা করে। রুমের বাইরে সহপাঠী জুনেদের চিৎকারে ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা দীর্ঘক্ষণ পর সেখানে এসে জড়ো হন। শিক্ষার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকলে শিবিরের নেতাকর্মীরা রক্তাক্ত অবস্থায় রিয়াদকে রুম থেকে টেনে বের করে ফেলে চলে যায়। তাকে পুলিশে দেওয়ারও হুমকি দেয়। এরপর শিবিরের সেক্রেটারি বলে উঠেন, সে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিল, পুলিশে দেওয়ার দরকার নেই। মার যা দেওয়ার যথেষ্ট হয়েছে। আর যাতে সে ছাত্রাবাসে উঠতে না পারে। ছাত্রাবাস ত্যাগের সময় তারা কক্ষটিতে তালা দিয়ে রিয়াদ ও জুনেদের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ কেড়ে নিয়ে চলে যায়।

এ বিষয়ে এমসি কলেজ শাখার তালামীযে ইসলামের সভাপতি আলবাব হোসেন জানান, এই হামলা শুধু ফেসবুকের পোস্ট নিয়ে নয়। ছাত্রাবাসে যাতে ভিন্নমতের কেউ থাকতে না পারে সেই চেষ্টা করছে ছাত্রশিবির। এই হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।

তবে ছাত্রশিবির কলেজ শাখার সভাপতি ইসমাইল খান বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, পুরো বিষয়টিই ছাত্রশিবিরকে হেয় করার জন্য অপপ্রচার। এখানে শিবিরের কেউ নির্যাতন চালায়নি। হৃদয় নামের এক জুনিয়রের সঙ্গে রিয়াদের হাতাহাতি হয়। সে ঘটনায় সে আহত হয়। বরং এ ঘটনা জেনে ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সেখানে গিয়ে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

তিনি আরও বলেন, তালামীযে ইসলাম মূলত ছাত্রলীগের বি টিম। তাদের দলের নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচন করে সংসদ-সদস্য (এমপি) হয়েছিলেন।

তিনি দাবি করেন, পুরো ঘটনা হাসপাতালে গিয়ে পালটানো হয়েছে। এ বিষয়ে এমসি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল আনাম রিয়াজ জানান, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। ইতোমধ্যে ঘটনা তদন্তে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দেবেন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (মিডিয়া) বলেন, নির্যাতনের ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

Author

আওয়াজ সিলেট

Follow Me
Other Articles
Previous

রাষ্ট্রপতির আগমনের প্রতিবাদে শহিদ মিনারের সামনে বিক্ষোভ, হাসিনার ফাঁসি দাবি

Next

শার্শার বাগআঁচড়ায়২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত।

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Chief Executive Editor: Mahfuz Hossain Rahel
Executive Editor: Mehrab Hossain Junel

Contact: +447472703561
News Editor: Arafat Rahman Shah
Office Assistant: Sojal Prasad (01714727395)

 

Office: Thana Road, Fenchuganj Bazar, Sylhet.
Email: awazsylhet.com

Copyright 2026 — আওয়াজ সিলেট. All rights reserved.