চিলাউড়া-হলদিপুর ইউপি নির্বাচন: সক্রিয় হওয়ার চেষ্টায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রবাসী নেতা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কা

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এক প্রবাসী নেতার তৎপরতা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মমিন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী কর্মজীবী লীগের নেতা। তিনি চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার প্রচারনার মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগকে মাঠে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মমিনের পক্ষ থেকে এলাকায় যোগাযোগ ও রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। স্বজন ও কর্মকান্ড নিষিদ্ধ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে যোগাযোগের পাশাপাশি দলকে সক্রিয় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীর ভাষ্য, স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মকান্ড নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রবাসী কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী দেশে ফিরে সক্রিয় হলে তার প্রভাব স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনী তৎপরতা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা ও উদ্বেগ রয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়লে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়দের কেউ । বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনগত পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মমিনসহ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রবাসী সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শেষ পর্যন্ত কোন পর্যায়ে যায়, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল রয়েছে।
অন্যদিকে চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুতি ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের সংঘাত বা উত্তেজনা সৃষ্টি না করে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালিত হবে।