বিশ্বনাথে এক নারীকে গণধর্ষণ, জনের বিরুদ্ধে মামলা। আটক -১

মোঃজাহান মিয়া, বিশ্বনাথ(সিলেট)প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগরে এক নারীকে সিএনজি অটোরিকসায় করে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১০:০০ ঘটিকার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামে ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার রাতে ধর্ষিতা বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি রেখে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার অভিযুক্তরা হলেন-বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের হাসিব আলীর ছেলে সাইদুর রহমান (৩০), বটতলা গ্রামের ছাদ মিয়ার ছেলে আমির আলী (২৮) এবং উপজেলার আলমনগর গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে গয়াছ মিয়া (৪৪)একই গ্রামের মৃত আয়না মিয়ার ছেলে আশিক মিয়া (৩০)। মামলার দায়েরের পরই অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ । বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার(১৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বাদি সিলেটের চন্ডিপুল থেকে ছাতক যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজি অটোরিকসা ভাড়া করেন। অটোরিকসা চালক ও অভিযুক্ত সাইদুর রহমান গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা বলে কৌশলে তাকে বিশ্বনাথের অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে উৎ পেতে থাকা অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া, আশিক মিয়া, সাইদুর রহমান ও আমির আলী অজ্ঞাতনামা ১জন বাদিকে জোরপূর্বক আলমনগর গ্রামের মন্তাজ আলী নামের এক ব্যক্তির বসতঘরের রান্নাঘরে নিয়ে যায়। সেখানে অভিযুক্তরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর ভ্যানেটি ব্যাগে থাকা নগদ ২,২৫০ টাকা, পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ড এবং একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী নারী কৌশলে ঘর থেকে বের স্থানীয় পনাউল্লাহ বাজারে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গয়াছ মিয়া আটক করে।
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায় বলেছেন,ভিকটিমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে এঘটনায় ৪জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছ।