1. info@www.awazsylhet.com : - :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জগন্নাথপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে শতবর্ষী হাজী গফুরের সংবাদ সম্মেলন রাজশাহীতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার আশঙ্কা: ডিআইজি রাবিতে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিলো ভিপি বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত জগন্নাথপুরে দেয়াল নির্মাণ করে ৪ পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবী ভূমির মালিকের ওসমানীনগরে আনজুমানে আল-ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার উদ্যোগে প্রবাসী সংবর্ধনা হারিয়ে গেছে হাতে লেখা চিঠি ! ডাকবাক্স থাকে ফাঁকা রাণীশংকৈলে গোপন প্রেমের পরিণতি বিয়ে, দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি ভোক্তা পর্যায়ে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি

ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে এক বছর পর বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ায় জেলেসহ শত শত উৎসুক জনতা ।

আওয়াজ সিলেট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

হাসিনুজ্জামান মিন্টু, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:-

আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) ভোর থেকে জেলা সদরের বুড়ির বাঁধ এলাকায় মাছ ধরার উৎসবে মিলিত হন। স্থানীয় জেলেরা ছাড়াও উৎসুক জনতা ফিকা জাল, টানা জাল, খেলই, খেয়া জালসহ সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হন।তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছেন সবাই।

স্থানীয় জেলেসহ মাছ শিকার করতে আসা মানুষেরা অভিযোগ করে বলেন, এক বছর পর বিলের পানি ছেড়ে দিলেও তেমন মাছ পাওয়া যায়নি, শুধুমাত্র অব্যবস্থাপনার কারণে। মাছ তো এক বছর আগেই ধরে রাখা পানিতে ছেড়েছিল মৎস্য বিভাগ। মাছ ছাড়ার পর দেখভাল না করার কারণে রিং জাল বসিয়ে মাছ ধরে ফেলেছে। সে কারণেই পানি ছেড়ে দিলেও মাছ পাওয়া যায়নি। তা না হলে দেশীয় প্রজাতির ব্যাপক মাছ পাওয়া যেত। এখন কয়েক বছর ধরে এই জলাশয়ে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ১৯৫১-৫২ সালের দিকে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষি জমির সেচ সুবিধার জন্য সদর উপজেলার আকচা ও চিলারং ইউনিয়নের সীমানায় শুক নদীতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

বুড়ির বাঁধে আটকে থাকা পানিতে প্রতিবছর মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছাড়ে। আর এই সময়টাতে বাঁধের পানি ছেড়ে দিলে মাছ উৎসবে মাতেন সবাই।

এ উপলক্ষে বাঁধের আশপাশে মণ্ডা-মিঠাইয়ের দোকান প্রসরা সাজিয়ে বসায় বাড়তি উৎসবের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খাইরুল ইসলাম জানান, জলাশয়ে মাছ ছাড়ার পর থেকে কিছু অসাধু ব্যক্তি রিং জাল দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে জাল উদ্ধার করে তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবে শুধু প্রশাসনিক তৎপরতা নয়, স্থানীয়দেরকেও ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই মাছ ধরা উৎসবের সফলতা মিলবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইন্টেল ওয়েব