Skip to content
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট
আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট আওয়াজ সিলেট
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • আইন-আদালত
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • বিজ্ঞপ্তি
  • যোগাযোগ
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • আইন-আদালত
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • বিজ্ঞপ্তি
  • যোগাযোগ
Subscribe
Close

Search

প্রবন্ধসিলেট

সিলেটের জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহার দাবিতে ‘অনড়’ আরিফ, ডিসি বললেন- ‘অভিযান চলবে’

By আওয়াজ সিলেট
04/07/2025 4 Min Read
0

সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রত্যাহারের যে দাবি জানিয়েছেন, সে দাবিতে এখনও অনড় আছেন বলে জানিয়েছেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী।

অপরদিকে, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ জানিয়েছেন, আরিফুল হক কেন হঠাৎ এই দাবি জানিয়েছেন তা তিনি জানেন না।

বুধবার (২ জুলাই) সকালে সিলেট নগরের কোর্ট পয়েন্টে সমাবেশ করে ডিসি মুরাদকে প্রশাসনিকভাবে ‘অদক্ষ ও ব্যর্থ’ আখ্যা দিয়ে করে তার প্রত্যাহার দাবি করেন আরিফ।

ওই সমাবেশে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়া, স্টোন ক্রাশার মিলের বিরুদ্ধে অভিযান বন্ধ, জালালাবাদ চক্ষু হাসপাতালের মার্কেট ভাঙা বন্ধসহ আরিফ বিভিন্ন দাবি জানালেও নিজের বক্তৃতার বেশিরভাগ অংশজুড়ে আরিফ মূলত জেলা প্রশাসকের প্রতি বিষোদগার করেন।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটটুডেকে বলেন, ‘‘কালকের (বুধবারের) সমাবেশের পর প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের অনেকেই আমার সাথে যোগাযোগ করছেন। তবে আমি ‘যেটা কইছি, কইছিই’ (যা বলছি, বলছিই)। এই ডিসিকে প্রত্যাহার করতে হবে। তার কারণে সিলেটের সব মানুষ অতিষ্ঠ।’’

এদিকে আরিফুল হক চৌধুরীর বুধবারের সমাবেশের বক্তব্য প্রসঙ্গে ডিসি মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ বৃহস্পতিবার সিলেটটুডেকে বলেন, তিনি কেন এমনটি বলেছেন তা আমি জানি না। এ ব্যাপারে তিনিই ভালো বলতে পারবেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমরা কোন চাপ অনুভব করছি না। সরকারের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই পাথর ভাঙার যন্ত্রের বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। পাথর উত্তোলন ও অবৈধ স্টোন ক্রাশার মেশিনের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে তা অব্যাহত আছে। আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। সরকারের কাজ নিজের গতিতেই চলবে।’

এরআগে বুধবার কোর্ট পয়েন্টের সমাবেশে জেলা প্রশাসকের উদ্দেশ্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জেলা প্রশাসক, আপনি যদি মনে করেন, আমাদের মধ্যে বিভাজন করার পায়তারা যেটা করছেন, দুএকজন নেতাকে বশ করে আপনি মনে করবেন না পার পেয়ে যাবেন। আমাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যারা যাবে তারা জেলা প্রশাসকের দালাল হিসেবে চিহ্নিত হবে।

তিনি বলেন, এই জেলা প্রশাসক বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে বিব্রত করার জন্য কাজ করছেন। জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে দাড় করাচ্ছেন। আর না হলে এসব কাজ (স্টোন ক্রাশার মিল ও কিছু স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান) করার আগে প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে বসতেন। তাদের পরামর্শ নিতেন।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এই যে জালালাবাদ অন্ধ কল্যাণ হাসপাতালের মার্কেট গুড়িয়ে দেওয়া হলো এটির অনুমোদন তো উনার মতোই একজন জেলা প্রশাসক দিয়েছিলেন। অথচ এই জেলা প্রশাসক কারো সঙ্গে কথা না বলেই মার্কেট গুড়িয়ে দিচ্ছেন।

ডিসিকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনি বলেন, আপনি আমাদের লোক। কিসের আপনি আমাদের লোক। আপনি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। আপনি চোখ রাঙিয়ে জনগণের সঙ্গে কথা বলতে পারেন না। আপনাকে সাবধান করে বলে দিতে চাই, সিলেটের মানুষকে অপমান করবেন না।

গত ১৭ বছর সিলেটে লুটপাট হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর অবৈধ চোরাচালান, পাথর তোলা-বালু তোলা ছিলো। তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন। জেলা প্রশাসক জবাব দিতে হবে। ১৭ বছর যারা লুটপাট করেছে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন তার সঠিক উত্তর দিতে হবে। …আজকে শুধু বলে গেলাম। ৫ তারিখের পরে কিন্তু তুমি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আর কোন আলোচনা হবে না। এই জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করা না হলে ৫ তারিখের পরে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।

‘জেলা প্রশাসক নাকি বলে, আরিফুল হক এখন আর জনপ্রতিনিধি নয়’ এমনটি উল্লেখ করে সাবেক এই মেয়র বলেন, ‘সিলেটের মানুষ দশ বছর আমাকে জনপ্রতিনিধি করেছেন। তুমি জেলা প্রশাসক, কোথাকার কি, তোমার মতো কয়েকজন জেলা প্রশাসক তো আমার আন্ডারে কাজ করেছেন। কথাবার্তা সাবধান করে বলবা। জনপ্রতিনিধি কে আছেন কে নাই, এটা তোমার নির্ধারণ করার কথা না।’

ডিসি পাথর–সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে বুধবার এক সভা ডাকেন জানিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, তবে পাথর–সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী কিংবা পরিবহনশ্রমিক নেতা, কেউ তার বৈঠকে যাননি। নির্যাতন–নিষ্পেষণ করার পর ডিসি বলছেন, এখন এসো। তাই সবাই ঘৃণাভরে এ বৈঠক প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে স্থানীয় বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ‘কিছু বিষয় নিয়ে’ আরিফুল হক চৌধুরীর মনোমালিন্য ও দূরত্ব চলছে। এখন ইজারা বন্ধ থাকা সিলেটের পাথরকোয়ারি চালুর দাবিতে পাথর–সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সাম্প্রতিক আন্দোলন এবং মেজরটিলা এলাকায় উচ্ছেদের শিকার ব্যবসায়ীদের ক্ষুব্ধতার সুযোগে আরিফুল হক ‘জেলা প্রশাসক হটাও’ কর্মসূচিতে নেমেছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের পাথরকোয়ারিগুলো ইজারা দিয়ে এবং পাথর ভাঙার যন্ত্রের বিদ্যুৎ-সংযোগ আবার চালুর দাবিতে সম্প্রতি পাথর–সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিকেরা কর্মবিরতি, পরিবহন বন্ধ রাখাসহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন। এমন পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে রাজনৈতিক নেতা, পাথর–সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে দুপুর ১২টার দিকে বৈঠকে বসেন ডিসি। সেই বৈঠকে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা জামায়াতের আমির হাবিবুর রহমান ও সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি মো. শাহজাহান আলীসহ পাথর–সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত আছেন।

তবে ওই বৈঠকে আরিফুল হক চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানা গেছে।

এদিকে, কোর্ট পয়েন্টের সমাবেশ থেকে আরিফুল হক এ কর্মসূচিকে শ্রমিক, মালিক ও ব্যবসায়ীদের অধিকার আদায়ের কর্মসূচি বলে ঘোষণা দেন। কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকনেতারাও যোগ দেন।

সমাবেশ থেকে পরিবহনমালিক ও শ্রমিকনেতারা শুক্রবারের মধ্যে সিলেটের ডিসিকে অপসারণ না করলে শনিবার থেকে সিলেটের সব সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন।

 

সমাবেশ চলাকালে আরিফুল হক বলেন, সম্প্রতি কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই জেলার বিভিন্ন স্থানে পাথর ভাঙার যন্ত্রের (ক্রাশার মেশিন) ব্যবসায়ীদের বৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। কোনো ধরনের সময় কিংবা নোটিশ না দিয়ে নগরের মেজরটিলা এলাকায় রাস্তার পাশে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদও করা হয়েছে। ডিসি এই অঞ্চলের ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নষ্ট করছেন। তাই ভুক্তভোগী বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্র হয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে ডিসিকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন।

Author

আওয়াজ সিলেট

Follow Me
Other Articles
Previous

অপহরণের পর বিক্রির পরিকল্পনা হয়েছিল

Next

ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে আমরা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ব, নাহিদ।

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Chief Executive Editor: Mahfuz Hossain Rahel
Executive Editor: Mehrab Hossain Junel

Contact: +447472703561
News Editor: Arafat Rahman Shah
Office Assistant: Sojal Prasad (01714727395)

 

Office: Thana Road, Fenchuganj Bazar, Sylhet.
Email: awazsylhet.com

Copyright 2026 — আওয়াজ সিলেট. All rights reserved.