হানিফ পারভেজ,বড়লেখা প্রতিনিধি :-
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২ নম্বর দাসের বাজার ইউনিয়নে নির্বাচনী তৎপরতা বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বাহারের সমর্থনে ১ নম্বর ওয়ার্ডে এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাপক মানুষের উপস্থিতিতে একপর্যায়ে সভাটি জনসভায় রূপ নেয়।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এ সভায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. দিগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে এবং সুমন আহমদ ও জুয়েল আহমদের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাবুলাল চন্দ্র দেবনাথ, বিজয় চন্দ্র দেবনাথ, সালেহ আহমদ, জালালাবাদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জি এম এনাম আহমদ, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, বদরুল ইসলাম, ইমাম উদ্দিন, অরুপরতন চক্রবর্তী, অবিনাশ দাস, ফখরুল ইসলাম, দয়াময় দাস, সুখময় দাস, রানা দাস, জামাল উদ্দিন, মতিউর রহমান ও আব্দুল জলিলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সভায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুহুল আমিন বাহার তাঁর দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ২০১১ সালে তরুণ বয়সে স্থানীয় জনগণ তাঁকে ইউপি সদস্য নির্বাচিত করে যে আস্থা ও ভালোবাসা দেখিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা তৃতীয় মেয়াদে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে সবার সঙ্গে সমান ও ন্যায়সংগত আচরণ করার চেষ্টা করেছেন। অনিয়ম ও দুর্নীতি থেকে দূরে থেকে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
রুহুল আমিন বাহার আরও বলেন, তাঁর বাবা সাত ছেলেকে দেশে-বিদেশে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ দিলেও তাঁকে মানুষের পাশে থেকে সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করতে উৎসাহিত করেছেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক এবং বাবার দেওয়া দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার থেকেই তিনি জনসেবায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।
আগামী দিনের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে এলাকার মানুষ তাঁর ওপর যে আস্থা ও ভালোবাসা রেখেছেন, ভবিষ্যতেও তাঁদের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। পাশাপাশি দলের পক্ষ থেকে তাঁর অতীত ভূমিকা ও অবদানের মূল্যায়ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা এবং স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা তাঁদের মতামত ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে নির্বাচনী মতবিনিময় সভাটি শেষ পর্যন্ত জনসমাবেশে পরিণত হয়।