চাকরির পেছনে না ছুটে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা জুম্মান। উপশহর ওয়াকওয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত তার চায়ের দোকানটি এখন শুধু এক কাপ চায়ের আড্ডাস্থলই নয়, বরং এক তরুণের সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার জীবন্ত গল্প।
শহরের কোলাহল আর ওয়াকওয়ের মনোরম পরিবেশের ঠিক মাঝখানে গড়ে উঠেছে জুম্মানের এই বিশেষ চায়ের দোকান। প্রতিদিন বিকেল হতেই যেখানে ভিড় জমায় শত শত চা-প্রেমী মানুষ। তরুণ বয়স থেকেই নিজে নতুন কিছু করার অদম্য ইচ্ছা ছিল জুম্মানের। সেই ইচ্ছা আর কঠোর পরিশ্রমকে পুঁজি করেই তিনি আজ তরুণদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম।
তার এই দোকানের মূল আকর্ষণ হলো চায়ের বৈচিত্র্য। সাধারণ চায়ের গণ্ডি পেরিয়ে এখানে পাওয়া যায় সব ধরনের চা। চিরাচরিত **রং চা** ও ঘন **দুধ চা** থেকে শুরু করে চা-প্রেমীদের বিশেষ আকর্ষণ **হপি চা** সহ আরও নানা স্বাদের চা মিলছে এক ছাদের নিচে। চায়ের মান, চমৎকার স্বাদ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে অল্প দিনেই পুরো উপশহর এলাকায় এটি দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
নিজের এই উদ্যোগ নিয়ে **জুম্মান** বলেন:
> "আমি সব সময় বিশ্বাস করি, কাজ ছোট বা বড় নয়, মানুষের সততা আর নতুন কিছু করার চেষ্টাই আসল। ওয়াকওয়ের এই প্রাণকেন্দ্রে দোকানটি দেওয়ার পর থেকে মানুষের যে ভালোবাসা ও সাড়া পেয়েছি, তা সত্যিই অভাবনীয়। আমি চেষ্টা করি প্রতিদিন সবাইকে একদম খাঁটি ও সেরা স্বাদের চা উপহার দিতে।"
আশপাশের তরুণদের জন্য জুম্মান এখন এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। অনেকে এখন তার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথাগত চাকরির বাইরে গিয়ে ভিন্ন কিছু করার স্বপ্ন দেখছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জুম্মানের ব্যবহার এবং তার হাতের চায়ের