মোঃ মুকিম উদ্দিন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:-
সুনামগঞ্জ জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দামে অস্বাভাবিক উর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে পেঁয়াজ, রসুন, লেবু, শসা, গাজর খেজুর, ভোজ্যতেল, ছোলা, বেগুনসহ ইফতার সামগ্রির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন।
দেশি পেঁয়াজের কেজিতে ১২/১৩ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ৫৫/৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুন কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি দেশী রসুন ১৩০ টাকা ও চায়না রসুন কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে মানভেদে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা বৃদ্ধি এবং আমদানি কম থাকায় পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচসহ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে।
সরেজমিনে উপজেলার বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, পাইকারি সবজি বাজার, খুচরা সবজি বাজার ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। রমজানের শুরুতেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি করে বাজার করছেন অনেকেই। কেউ কেউ পুরো রমজানের বাজার একসাথে করছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজান এ কারণে দামটা বেড়ে যায়।
সুরত আলী নামের একজন দিনমজুর বলেন, রমজান মাসে সবকিছুর দাম বেড়ে যায়। সারাদিন কাজ করে আয়-উপার্জন দিয়ে যখন বাজার করতে যাই, তখন একটা কিনলে আরেকটা কিনতে পারি না। তবে উপজেলার প্রতিটি বাজার মনিটরিং করা হলে আমাদের মতো দিনমজুররা কিছুটা স্বস্তি পেতাম।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি টমেটো প্রকার ভেদে ৩০/৪০, ফুলকপি ৩০/৪০/৫০, বাঁধাকপি ৩০, বেগুন ৪০, শিম ৩০/৪০, শিমের বিচি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ও কাঁচা মরিচ ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মুদি দোকানে প্রতি কেজি ছোলা ৯০/১০০ টাকা, মসুর ডাল ১২০, টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি খোলা চিনি ১২০ টাকা, প্যাকেট আটা (দুই কেজি) ১১০ ও প্যাকেট ময়দা (দুই কেজি) ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, রমজান মাসে প্রত্যেকেই বেশি করে বাজার করছেন। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম থাকায় দামটা বেড়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে পেঁয়াজ, রসুন সহ নিত্যপণ্যের দাম কমে আসবে।