
তথাকথিত জাতীয় নির্বাচনকে “প্রহসন” আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন ছিল “অবৈধ ও অসাংবিধানিক” এবং জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তা বর্জন করেছে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বর্তমান সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে এবং নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক মানদণ্ড পূরণ করেনি। ছাত্রলীগ দাবি করে, সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম এবং পরে হঠাৎ ভোটের হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সরকারি তথ্য “গাণিতিকভাবে অসঙ্গত”।
সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের তথ্যে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল ১৪.৯৬ শতাংশ, যা পরবর্তী এক ঘণ্টায় বেড়ে ৩২.৮৮ শতাংশে পৌঁছায়। এই পরিসংখ্যানকে কেন্দ্র করে তারা ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তোলে।
ছাত্রলীগ আরও দাবি করে, বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্র দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিবৃতিতে বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-কে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। সংগঠনটি নির্বাচন বাতিল, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ এবং একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে।