
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা প্রতিনিধি:-
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সারা দেশের ন্যায় মৌলভীবাজার -১(বড়লেখা-জুড়ি) আসনে প্রচার-প্রচারণা সময় শেষ হওয়ার পর এবার নির্বাচনী লড়াইয়ের নতুন ময়দান হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া।
মাঠের মিছিল, সভা-সমাবেশ থেমে গেলেও ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও এক্সে চলছে জোর প্রচার, পাল্টাপাল্টি দাবি ও রাজনৈতিক বার্তার বন্যা।
নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় শেষে সরাসরি প্রচারণা বন্ধ হলেও প্রার্থী ও সমর্থকদের অনলাইন তৎপরতা থেমে নেই। বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা পোস্ট, ভিডিও, লাইভ সম্প্রচার এবং গ্রাফিক্সের মাধ্যমে নিজেদের পক্ষে জনমত গড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ, পুরোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড তুলে ধরে সমালোচনাও বাড়ছে।
বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের লক্ষ্য করে ছোট ভিডিও, আবেগঘন বার্তা ও ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে বেশি। অনেক ক্ষেত্রে এসব কনটেন্ট দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ছে, যা ভোটারদের মনোভাব প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রচারণা শেষ হলেও ভোটের আগের শেষ মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়া অনেক ক্ষেত্রে মাঠের প্রচারণার চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা বন্ধ থাকলেও অনলাইন অঙ্গনে রাজনৈতিক লড়াই চলছে।
বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তার এক অর্থে গণতান্ত্রিক পরিসরকে বড় করেছে। এখন যে কেউ নিজের মত প্রকাশ করতে পারে, প্রশ্ন তুলতে পারে, এমনকি রাষ্ট্রক্ষমতার সমালোচনাও করতে পারে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সুযোগ আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ ভোটাররা বিভিন্ন মত ও তথ্য জানার সুযোগ পান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের আগের শেষ কয়েক ঘণ্টায় সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব অনেক সময় মাঠের প্রচারণার চেয়েও বেশি হয়ে ওঠে। বিশেষ করে অনিশ্চিত ও দোদুল্যমান ভোটারদের ক্ষেত্রে অনলাইন বার্তা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হলেও ডিজিটাল পরিসরে যে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র ও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে, তা স্পষ্ট।