1. info@www.awazsylhet.com : - :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ফেঞ্চুগঞ্জে চার ইটভাটা বন্ধ: থমকে গেছে নির্মাণকাজ, হাজার শ্রমিকের জীবনে সংকট বিশ্বনাথে নিয়ামতিয়া এইড এন্ড ইন্টারন্যাশনাল ইউকে’র উদ্যোগে জগন্নাথপুরে কৃষি জমির উপরভাগ থেকে মাটি কাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২ চালককে জেল জরিমানা পীরগঞ্জে মিনি বাস–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে স্কুলছাত্র আহত জন্নাথপুরে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রথম ধাপে বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার দ্বিতীয় ধাপে বহাল ওসমানীনগরে মাওলানা কাজী রফিক আহমদ পীরের দাফন সম্পন্ন,বিভিন্ন মহলের শোক মহান আল্লাহর শানে কটুক্তির প্রতিবাদে বাউল শিল্পী আবুলের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করে, বিজয়ের মাধ্যমেই প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান – হুমায়ুন কবির জগন্নাথপু‌রে কুশিয়ারা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে কারাদন্ড জগন্নাথপুরে বালু খোকেদের বিরুদ্ধে অভিযানে এসিল্যান্ড

শীতে অ্যাজমার সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎসকের পরামর্শ

উৎসবের আলো
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

শীতের হালকা ঠান্ডায় অ্যাজমা বা হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে। হাঁচি-কাশির এই সময় ঠান্ডা বাতাস এবং ইনডোর অ্যালার্জেনের কারণে অনেক অ্যাজমা রোগী আরও বেশি সমস্যায় পড়েন। চিকিৎসকরা বলছেন, যদি সতর্কতা না মানা হয় তবে শীতকাল অ্যাজমার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তথ্যমতে, প্রতি বছর প্রায় ৯.৮ মিলিয়ন মানুষ অ্যাজমার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যান এবং ১.৮ মিলিয়ন রোগী জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ইরভিং মেডিক্যাল সেন্টারের অ্যালার্জিস্ট ডা. স্টিফেন ক্যানফিল্ড বলেন, শীতকালে ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস অ্যাজমার উপসর্গকে অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়।

শীতে অ্যাজমার সমস্যা কেন বাড়ে?

ডা. ক্যানফিল্ড জানান, শীতে ফ্লু ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়, এবং বেশি সময় ঘরেই কাটানোর ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা অ্যাজমার উপসর্গ আরও তীব্র করতে পারে। ইনডোর অ্যালার্জেন যেমন ঘরের ধুলা, পোষা প্রাণীর লোম, ছাঁচ এসবও শ্বাসনালীর প্রদাহ বাড়িয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি এবং বুকের মধ্যে শোঁ শোঁ শব্দ তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, শীতের শুরুতে অ্যালার্জি পরীক্ষা করালে নির্দিষ্ট অ্যালার্জেন চিহ্নিত করা সহজ হয় এবং সেই অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া যায়। শীতকালীন ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাসও অ্যাজমার উপসর্গ বাড়ানোর একটি বড় কারণ। বাইরে বের হলে অনেকেই শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন, কারণ ঠান্ডা বাতাস শ্বাসনালীর সংকোচন ঘটায়।

শীতে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের উপায়:

ডা. ক্যানফিল্ড শীতে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন-

> বাইরে বের হলে মুখ ও নাক ঢেকে রাখুন।

> ঠান্ডা বাতাসে ভারী শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলুন।

> ঘরটি ধুলা ও অ্যালার্জেনমুক্ত রাখুন।

> ঘরের ভেতরে উপযুক্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।

> ফ্লু প্রতিরোধে টিকা নিন।

 

কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?

যদি উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি। বিশেষ করে নতুন কাশি, শ্লেষ্মা বেড়ে যাওয়া অথবা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শীতের শুরুতেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং সতর্কতা নিলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো সম্ভব। যদি সতর্কতা মেনে চলা যায়, তবে অ্যাজমা রোগীরা সহজেই শীতকাল পার করতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইন্টেল ওয়েব