1. info@www.awazsylhet.com : - :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জগন্নাথপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে শতবর্ষী হাজী গফুরের সংবাদ সম্মেলন রাজশাহীতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার আশঙ্কা: ডিআইজি রাবিতে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দিলো ভিপি বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত জগন্নাথপুরে দেয়াল নির্মাণ করে ৪ পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবী ভূমির মালিকের ওসমানীনগরে আনজুমানে আল-ইসলাহ ও তালামীযে ইসলামিয়ার উদ্যোগে প্রবাসী সংবর্ধনা হারিয়ে গেছে হাতে লেখা চিঠি ! ডাকবাক্স থাকে ফাঁকা রাণীশংকৈলে গোপন প্রেমের পরিণতি বিয়ে, দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি ভোক্তা পর্যায়ে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি

যশোরে শিশু আফিয়ার পৈতৃক পরিচয় নিশ্চিতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

আওয়াজ সিলেট
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

আঃজলিল,স্টাফ রিপোর্টার:- যশোরের শিশু আফিয়ার যত দ্রুত সম্ভব ডিএনএ পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন যশোরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান। ইতোমধ্যে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসনাত আফিয়ার বাড়িতে গিয়েছেন। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আফিয়া ও তার মা মনিরা বেগম রোববার কোতোয়ালি থানায় উপস্থিত হন। আদালতের আদেশ নিয়ে দ্রুতই আফিয়ার ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শুধু তাই নয়, আফিয়া যদি মোজাফফরের সন্তান হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে মিথ্যা অপবাদ, স্ত্রী ও সন্তানের প্রতি অবহেলা এবং পরিত্যাগের অভিযোগে মোজাফফরের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার থানায় অবস্থানকালে আফিয়ার মা মনিরা বলেন, তিন বছরের শিশু আফিয়ার বাবা থাকতেও আজ নেই। আফিয়ার গায়ের রং শ্বেত হওয়ায় তাকে ছেড়ে চলে গেছে মোজাফফর। এতদিন নানা উপায়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু সে উল্টো আমাকে হুমকি দিত। তখন কেউ পাশে ছিল না বলে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারিনি। এখন অনেকেই সহযোগিতা করছেন ন্যায়বিচার পেতে।”

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার আমাদের বাড়িতে পুলিশের একটি টিম আসে। নানা বিষয়ে খোঁজখবর নেয়। ওসি স্যার আমাকে রোববার থানায় আসতে বলেছিলেন, তাই এসেছি। তার সঙ্গে কথা বলেছি।আফিয়া আমার ও মোজাফফরের ওরসজাত সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তিন বছর ধরে মিথ্যা কলঙ্ক মাথায় নিয়ে ঘুরতে হয়েছে। আমি চাই সত্যটা স্পষ্ট হোক। শুধু তাই নয়-জাফফরের বিচার হোক।

কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসনাত বলেন, আফিয়ার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সুপার আমাকে দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে আফিয়া ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও রাজি হয়েছেন। লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আদালতে আবেদন জানানো হবে। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইন্টেল ওয়েব