
জগন্নাথপুরে মারা-মারি মামলার আসামী কাইয়ূম গ্রেপ্তার
মোঃ মুকিম উদ্দিন আওয়াজ সিলেট প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁঞার দিক নির্দেশনায় অত্র থানার এসআই আল-আমীন এর নেতৃত্বে এসআই অপূর্ব কুমার সাহা, এসআই দিপংকর হালদার, এসআই হাদী আব্দুল্লাহ, এসআই কবির আহমদ, এসআই রিফাত সিকদার, এএসআই আলী আকবর এবং এএসআই/ জমির উদ্দিন সহ একদল পুলিশ ১৬ ই নভেম্বর দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত শ্রীপতিপুর গ্রাম নিবাসী মৃত ইছহাক আলীর ছেলে জগন্নাথপুর থানার এফআইআর নং-১২, তারিখ- ১৭ নভেম্বর, ২০২৫; জি আর নং-২০৪, ধারা- 307/323/326/354/379/
506/114/34 The Penal Code, 1860;এর এজাহার নামীয় আসামী আব্দুল কায়ুম (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে ১৭ নভেম্বর সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
এ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁঞা।
উল্লেখ্য, ছাতক ও জগন্নাথপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ছাতক উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রাম নিবাসী হাজী আবারক আলীর ছেলে সাহেব আলী(৫১) এর সাথে একই গ্রাম নিবাসী মৃত ইছহাক আলীর ছেলে আব্দুল কাইয়ূম (৪৫) এর সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল। বিগত ১৪ ই নভেম্বর রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় জগন্নাথপুর উপজেলাধীন যোগলনগর মার্কেটস্থ দীপক দাস এর চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন সাহেব আলী(৫১) এসময় আব্দুল কাইয়ূম ও আব্দুল মতিন এই দোকানে প্রবেশ করে সাহেব আলীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার পাশা-পাশি অতর্কিত হামলা চালিয়ে সাংবাদিক জুবায়ের আহমদ এর মাতা আয়দন মালা(৬০) ও সালিসি ব্যক্তি সহ ৬/৭ জনকে গুরুতর আহত করে। আহতদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে হামলাকারীদের হাত থেকে আহতদের উদ্ধার করেন। আহতরা জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ বিষয়ে সাহেব আলী বাদী হয়ে ১৭ ই নভেম্বর হামলাকারী আব্দুল কাইয়ূম(৪৫) ও আব্দুল মতিন (৪০)কে আসামী করে জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপেক্ষিতে আব্দুল কাইয়ূম (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।